ই-কমার্স (e commerce) ব্যবসা কি? ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর গাইডলাইন

ই-কমার্স শব্দটির সাথে বর্তমানে কম বেশি সকলেই পরিচিত। মূলত অনলাইনের মাধ্যমে কোনো পন্য বা সেবা ক্রেতার কাছে পৌছে দেয়ার মাধ্যমকেই ই-কমার্স বলা হয়। বর্তম

 ই-কমার্স (e commerce) ব্যবসা কি?

 ই-কমার্স শব্দটির সাথে বর্তমানে কম বেশি সকলেই পরিচিত। মূলত অনলাইনের মাধ্যমে কোনো পন্য বা সেবা ক্রেতার কাছে পৌছে দেয়ার মাধ্যমকেই ই-কমার্স বলা হয়। বর্তমানে অনেকেই অনলাইনে দৈনন্দিন পন্য ও সেবা কিনে থাকেন। এবং ধীরে ধীরে এই সংখ্যাটা বাড়ছে প্রায় দ্বিগুন গতিতে। বলা যেতে পারে বর্তমানে আধুনিক ট্রেন্ড হচ্ছে ই-কমার্স ব্যবসা। আমরা যদি বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যাক্তির তালিকায় তাকাই তাহলে দেখতে পাবো যে সেখানে ই-কমার্স ব্যবসায়ীরাই সবচেয়ে বেশী স্থান দখল করে রেখেছে।


এখন ঘরে বসেই ঘরের দৈনন্দিন বাজার করে ফেলছেন গৃহিণীরা, রাত ১ টা বাজেও ঘরের দরজায় চলে আসছে পিৎজা, কাজের বুয়া মিলছে এক ক্লিকেই, ঘরে বসেই ট্যাক্সি ভাড়া করে ফেলছেন সবাই। এছাড়াও মানুষ আরও হাজার টা সুবিধা পাচ্ছেন এই ই-কমার্সের মাধ্যমে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির এক অনন্য উপহার এই ই-কমার্স সেবা।


what is ecommerce business ki

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিছু ই-কমার্স সাইট

বর্তমানে বাংলাদেশে নিত্য নতুন ই-কমার্স সাইট চালু হচ্ছে এবং দেশের বাজারে 

  1. Daraz.com
  2. Evaly.com
  3. Bikroy.com
  4. Chaldal.com
  5. Priyoshop.com
  6. Rokomari.com
  7. Amazon.com
  8. Bproperty.com
  9. Clickbd.com
  10. Ekhoni.com
  11. Easyticket.com
  12. Upoharbd.com

কিছু ইন্টারন্যাশনাল ই-কমার্স সাইট

  1. Amazon.com
  2. Alibaba.com
  3. Aliexpress.com
  4. Ebay.com
  5. Walmart.com
  6. Etsy.com
  7. Shopify.com

এছাড়াও দিন দিন নতুন নতুন ই-কমার্স ওয়েবসাইট যুক্ত হচ্ছে বাজারে। আপনার কোনো ই-কমার্স ওয়েবসাইটের নাম জানা থাকলে নিচে কমেন্টে জানাতে পারেন।


বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসার সুযোগ

যুগে যুগে নতুন নতুন ব্যবসার ট্রেন্ড বের হয়। এক সময় যে তেল ও গ্যাসের ব্যবসায়ীরা থাকত ধনীর তালিকার শীর্ষে। কিন্তু ধীরে ধীরে তথ্য প্রযুক্তি ও দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার কারনে ব্যবসা বানিজ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এখন যদি পৃথিবীর শীর্ষ ধনী ব্যাক্তির তালিকা দেখেন তাহলে দেখবেন যে, প্রথম ১০০ জন ব্যাক্তির মধ্যে ৯৯ জনই কোনো না কোনো টেক কোম্পানির মালিক। আর এর মধ্যে বেশির ভাগই দখলে আছে ই-কমার্স ও সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট গুলোর মালিকদের হাতে। 


বাংলাদেশেও বর্তমানে ই-কমার্স এর ব্যাপক মার্কেট তৈরি হয়েছে। গত পাঁচ বছরে ই-কমার্স ব্যবসা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চাল-ডাল থেকে শুরু করে জায়গা জমি, কাজের বুয়া থেকে শুরু করে রাইড শেয়ারিং, সবই মিলছে মানুষের হাতের নাগালে। এখন ঘরে বসে বসেই ঘরের বাজার করতে পারছেন সবাই, তাও আবার বাজার থেকে কম দামে। তাহলে মানুষ কিনতে চাইবে না কেন!


২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্যে তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তির সুবিধা শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। ফলে ই-কমার্স ব্যবসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকটি ই-কমার্স সাইট এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাছাড়া অনলাইনে কেনাকাটার ব্যাপারটিও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে প্রতিদিন। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষরাও ধীরে ধীরে ই-কমার্স এর সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে।


বর্তমানে সারা দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC) রয়েছে। এসব ইউডিসিতে প্রায় দশ হাজার অভিজ্ঞ উদ্যোক্তা রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এরই মধ্যে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করেছেন এবং এ থেকে বাড়তি আয়ও করছেন তারা। গ্রামের কৃষকরা যে পন্য উৎপাদন করেন তা বিক্রির জন্য প্রতিদিন কষ্ট করে বাজারে যেতে হয়। তাদের উৎপাদিত পণ্য তারা ইউডিসির (UDC)  ই-শপ সেন্টারে এসে বিক্রি করতে পারেন। এতে তারা অধিক লাভবান হবেন কারণ, ই-শপ সেন্টারে ক্রেতা এবং বিক্রেতার মাঝে কোন মধ্যসত্ত্বভোগী থাকেনা।


উন্নত তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ব্যবহার করে “আমাজন ডটকম” ও “আলিবাবা ডটকম” নামের ওয়েবসাইটটি বর্তমানে সারা পৃথিবীতে তাদের সেবা দিচ্ছে। সেদিন হয়ত বেশি একটা দূরে নয় যেদিন আমাদের দেশের পণ্যও ই-কমার্সের কল্যাণে পৃথিবীর সকল প্রান্তের ক্রেতারা ঘরে বসে বসে অর্ডার দিতে পারবে।



ই-কমার্স ব্যবসার সুবিধা

দেখতেই পাচ্ছেন যে ই-কমার্স ব্যবসার সুবিধা অনেক অনেক। ধীরে ধীরে সকলেই অনলাইন সার্ভিসে অভ্যস্ত ও আসক্ত হয়ে পরছে। তাই এখনই সময় ই-কমার্স ব্যবসায় মনোনিবেশ করা। 


কিছু উল্লেখ যোগ্য সুবিধা হল -

  • কম পুঁজিতে অধিক লাভ হয়
  • দেশের সকল প্রান্ত থেকে কাস্টমার পাওয়া যায়
  • প্রচলিত ব্যবসার চেয়ে ই-কমার্সে অনেক বেশী সেল হয়
  • সেল অনেক বেশী হয় বলে কম দামে পন্য কিনতে পাওয়া যায়
  • আর্থিক লেনদেনের খরচ কম হয়
  • অনেক পন্য একই জায়গায় এক সাথে কাস্টমারকে দেখানো যায়
  • পন্য স্টোর করতেও খুব কম জায়গার প্রয়োজন পরে
  • বেকার দের কর্মসংস্থান করে


ই-কমার্স ব্যবসা করতে কত পূঁজি লাগে?

ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে কত পুঁজি লাগে এটা আসলে বলা মুশকিল। আপনি চাইলে খুব পুঁজি নিয়েও আপনার একটি ই-কমার্স ব্যবসা চালু করতে পারবেন আবার লাখ লাখ টাকা পুঁজি নিয়েও শুরু করতে পারবেন। এটা সম্পুর্ন আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার যে আপনি কত টাকা দিয়ে শুরু করতে চান। তবে হ্যা, আপনি যত বেশি পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় নামবেন, তত বেশী লাভের মুখ দেখতে পাবেন।


তবে শুরু করার আগে অবশ্যই পন্যের চাহিদা ও বাজার সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে আপনার। এবং পাশাপাশি হিসেব নিকেস করে একটি বাজেট নির্ধারন করতে হবে। কোথায় কত টাকা খরচা করবেন সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 


ই-কমার্স ব্যবসা কয় ধরনের হয়?

ই-কমার্স ব্যবসা মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন B2B, B2C এ বং C2C, নিচে বিস্তারিত বলা হল।


  1. B2B মডেল বি টু বি হচ্ছে বিজনেস টু বিজনেস। এক্ষেত্রে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়।

  2. B2C মডেল বি টু সি হচ্ছে বিজনেস টু কাস্টমার। এক্ষেত্রে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে একটি ব্যবসা ক্রেতার লেনদেন হয়।

  3. C2C মডেল সি টু সি হচ্ছে কাস্টমার টু কাস্টমার। এক্ষেত্রে একজন ক্রেতার সাথে অন্য একজন ক্রেতার লেনদেন হয়।


কিভাবে নিজের ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করবেন? 

যেহেতু ই-কমার্স তথ্যপ্রযুক্তির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেহেতু আপনাকেও কিছু প্রাথমিক ধারনা রাখতে হবে তথ্যপ্রযুক্তির সম্পর্কে। তা নাহলে আপনাকে পদে পদে হোচট খেতে হবে। 


ই কমার্স ব্যবসা শুরুর জন্য আপনাকে কিছু বিষয়ে আগে থেকে ধারনা রাখতে হবে ও প্রস্তুতি নিতে হবে। পরিকল্পনা ছাড়া মাঠে নামলে আপনি হোচট খেয়ে যেতে পারেন। 


ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর গাইডলাইন

  1. আপনি প্রস্তুত কিনা সেটা যাচাই করা

ই-কমার্স ব্যবসা অত্যান্ত লাভজনক একটি ব্যবসা এবং এ ব্যবসায় সফল হলে আপনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবেন এটা সত্যি। কিন্ত আপনাকে এ ব্যবসায় নামার আগে জানতে হবে আপনি আর্থিক ও মানসিক ভাবে প্রস্তুত কিনা। আপনার কাছে যথেষ্ট পরিমান অর্থ আছে কিনা, যাতে আপনি যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে পারেন। 


  1. কি প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে চান 

আপনি ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করবেন ভালো কথা, কিন্তু কি পন্য আপনি বিক্রি করতে চান সে বিষয়ে আপনাকে আগে জানতে হবে। আপনাকে সবার প্রথমে মার্কেট রিসার্চ করে নিতে হবে যে আপনার বাছাই করা পন্যের চাহিদা ও যোগান কেমন এবং সেই সাথে কত টাকা আয় করতে পারবেন। মানুষ কি আসলেই আপনার প্রোডাক্ট কিনতে চায় কিনা সে বিষয়টি আগে রিসার্চ করে নিন।


  1. প্রোডাক্ট এর খরচ এবং পরিবহন খরচ

আপনার বাছাই কৃত পন্যের খরচ কেমন পরবে সে ব্যাপারে একটা ভালো হিসেব নিকেশ করা দরকার। যেমন পরিবহন খরচ, মার্কেটিং খরচ, উৎপাদন খরচ ইত্যাদি। আপনি মার্কেট প্রাইস থেকে যত কম দামে আপনার পন্য ক্রেতার কাছে বিক্রি করবেন ঠিক ততটাই দ্রুত আপনার ব্যবসার প্রসার ঘটবে। আর এই খরচ কমাতে পারলেই আপনি বাজারে টিকে থাকবেন। তবে ভালো ই-কমার্স ব্যবসায় ভালো পন্যের কোনো বিকল্প নেই।


  1. প্রোডাক্ট এর গুণগত মান রক্ষা

আপনার পন্যের গুণগত মানের দিকে লখ্য রাখতে হবে। পন্যের মান কেমন তার উপর আপনার ব্যবসা অনেকটাই নির্ভর করে, তাই সঠিক পন্য বাছাই করতে হবে। তাছাড়া আপনার পন্যটি গ্রাহকের কাছে পৌছে দেয়ার সময় ভালো ভাবে প্যাকিং করতে হবে, যাতে পন্যটি ভালোভাবে পৌছায়। চেষ্টা করবেন ক্রেতা যে ধরনের প্রোডাক্ট চায় ঠিক সেই প্রডাক্ট টাই দিতে।


  1. প্রতিষ্ঠানের নাম নির্ধারণ ও আইনি কাজ

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন কাজের মধ্যে একটি। আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সুন্দর ও ট্রেন্ডি নাম নির্ধারণ করতে হবে। আপনি চাইলে আপনার প্রোডাক্ট এর নাম অনুসারেও একটি নাম নির্ধারণ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার কোম্পানির নামটি নিয়ে অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্ষ করে নিতে পারেন। 

এরপর আপনাকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগোটি ট্রেডমার্ক করিয়ে নিতে হবে। এছাড়াও একটি ট্রেড লাইসেন্স ও টিন সার্টিফিকেট থাকাটা জরুরী।


  1. ওয়েবসাইট তৈরি 

প্রথমেই আপনার কোম্পানি ও প্রডাক্টের নাম অনুসারে একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে হবে কারন ওয়েবসাইট ছাড়া ই কমার্স ব্যবসা অসম্ভব। তাই সবার আগে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নেম কিনে নিতে হবে। ডোমেইন কিনতে মাত্র ৭০০-৯০০ টাকা লাগে যা আপনাকে বাৎসরিক ভাবে পরিশোধ করতে হবে। তাছাড়া বর্তমানে Wordpress ও Sopify দিয়ে খুব কম খরচেই আপনি আপনার ইকমার্স সাইট তৈরি করে নিতে পারবেন।


বিশ্বস্ত ও ভালো মানের ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে ভিজিট করুন Bluehost.com


ডোমেইন ও হোস্টিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।


  1. SEO বা, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ও আপনার প্রডাক্ট গুলো কে গুগলে র‍্যাংক করানো। এতে করে আপনি ফ্রি তেই প্রচুর কাস্টমার পেয়ে যাবেন আপনার প্রডাক্ট এর জন্য। তাই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন করাটা খুবই গুরুত্বপুর্ন।


  1. প্রডাক্ট ও কনটেন্ট মার্কেটিং

আপনাকে আপনার প্রডাক্ট গুলো কে মার্কেটিং করতে হবে। মার্কেটিং অনেক ভাবেই করা যায়, যেমন ফ্রি মার্কেটিং অথবা পেইড মার্কেটিং। মার্কেটিং ছাড়া আপনার ব্র্যান্ডিং হবে না এবং আপনার পন্য ও সেবা মানুষের কাছে পৌছবে নয়া, তাই মার্কেটিং খুবই জরুরী।


চাইলে কিছু টাকা খরচ করে একটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স করে নিতে পারেন। এতে অনলাইন জগতে আপনি বেশ উপকৃত হবেন।


  1. পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত করা

আপনার ই-কমার্স পন্য গুলো অনলাইনে বিক্রির জন্য আপনাকে একটি পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে হবে। যেমন বিকাস, রকেট, নগদ, ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি। সেক্ষেত্রে SSL Commerz এর পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করতে পারেন, SSL Commerz এ বিকাস, রকেট, নগদ সহ আরও অনেক গুলো পেমেন্ট গেটওয়ে পেয়ে যাবেন।


  1. প্রডাক্ট ডেলিভারি

এখন আপনার বিক্রি করা পন্য গুলো ডেলিভারি করার ব্যবস্থাও তো করতে হবে তাইনা। তাই আপনাকে কোনো প্রডাক্ট ডেলিভারি সার্ভিসের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। বাংলাদেশে অনেক গুলো ডেলিভারি সার্ভিস কোম্পানি আছে যেমন, REDx , Pathao, E qouriar, Fedex ইত্যাদি।


  1. বিজ্ঞাপন 

বিভিন্ন মিডিয়া তে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিতে হবে যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল ইত্যাদি। আপনি যত বেশী বেশী বিজ্ঞাপন দিবেন আপনার ব্যবসার প্রসার তত বেশী হবে। বড় বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলো এখন রেডিও, টিভি ও বিভিন্ন টেলিফিল্ম বানাচ্ছে নিজেদের মার্কেটিং করার জন্য। 


  1. কাস্টমার সাপোর্ট

অনেক সময় প্রোডাক্ট নিয়ে কাস্টমারের সাথে ঝামেলা হতে পারে। কাস্টমার আপনার পন্যটি পছন্দ না করে ফেরত দিতে চাইতে পারে। আবার অনেক সময় ভুল পন্য ভুল কাস্টমারের কাছে চলে যেতে পারে। তাই এসব সমস্যা সমাধানের জন্য একটি কাস্টমার সাপোর্ট থাকা জরুরী যেখানে ২৪ ঘন্টা আপনার কাস্টমার যেকোনো সমস্যার সাপোর্ট পাবে। আপনার ক্রেতা যখন আপনার কাছ থেকে সময় মত সাপোর্ট পেয়ে সন্তুষ্ট হবে তখন সে আপনার কাছ থেকে বার বার প্রোডাক্ট কিনতে আগ্রহী হবে। 


  1. টিম ম্যানেজমেন্ট

পৃথিবীর বড় বড় কোনো কাজই টিম ছাড়া হয়নি। সফল উদ্যোক্তা হতে হলে আপনাকে টিম ম্যানেজমেন্ট করতে জানতে হবে। কোন বিষয়ে কে দক্ষ সেটা আপনাকে বুঝতে হবে এবং সেই কাজটি তার কাছ থেকে আদায় করে নিতে হবে। সাপ্লাই চেইন থেকে শুরু করে প্রসেসিং, প্রোডাক্ট সোর্সিং, পেমেন্ট এই সব গুলো একটি আরেকটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কোনো ডিপার্টমেন্ট থেমে থাকলে তার সাথে আরো অনেক ডিপার্টমেন্ট থেমে যায়। তাই ট্রেনিং এর ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির উপর কাজ করতে হবে।


  1. ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা

ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আপনাকে এর নিরাপত্তার দিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট যে তৈরি করা হোক না কেন প্রথমে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একটি বিশ্বস্ত ডোমেইন ও হোস্টিং প্রভাইডারের কাছ থেকে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমাইন, হোস্টিং কিনতে হবে। তা নাহলে আপনি একটা সময় আপনার ওয়েবসাইট টি হারিয়েও ফেলতে পারেন। তাই আমার সাজেশন থাকবে আপনারা যেন Bluehost.com থেকে ডোমেইন, হোস্টিং কেনেন। কারন Bluehost.com সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং লাখ লাখ ওয়েবসাইট মেকার রা Bluehost কেই বেছে নেন।


হোস্টিং-এর সঙ্গে আপনাকে CDN Service ব্যবহার করতে হবে, এতে আপনার ওয়েবসাইটের স্পিড অনেক বেড়ে যাবে। Max CDN প্রিমিয়ামের মধ্যে খুবই ভালো কিন্তু আপনি চাইলে CloudFlare ও ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, নিরাপত্তার স্বার্থে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা আবশ্যক।